এয়ারপোর্টে ছেলেকে নিয়ে আমির-কিরণ – Bhorer Kagoj


কার্গিল থেকে মুম্বই ফিরলেন আমির খান। প্রাক্তন স্ত্রী কিরণ রাওকে পাশে নিয়ে হাসিমুখে পোজ দিলেন পাপারাতজিদের জন্য। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

গত মাসেই সকলকে চমকে দিয়ে ডিভোর্সের ঘোষণা সেরেছেন আমির খান ও কিরণ রাও। যদিও বিচ্ছেদের পরেও হামেশাই একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে প্রাক্তন জুটিকে। কার্গিলে ‘লাল সিং চড্ডা’র চূড়ান্ত পর্বের শ্যুটিং সেরে মঙ্গলবার ভোররাতে মুম্বই ফেরেন আমির, সঙ্গী প্রাক্তন স্ত্রী কিরণ রাও এবং ছেলে আজাদ রাও খান। ডিভোর্সের ঘোষণার পর প্রথমবার মুম্বইয়ে একসঙ্গে দেখা গেল আমির-কিরণকে।

মুম্বই এয়ারপোর্টে পাপারাত্জিদের ক্যামেরায় লেন্সবন্দি হয়েছেন আমির-কিরণ। এবং সেই ভিডিওতে আশ্চর্যজনকভাবে এয়ারপোর্টের মেঝেতে হাঁটু মুড়ে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে আমির খান এবং আজাদকে। খুব সম্ভবত এক্সিট গেটের কাছে কিরণ রাওয়ের অপেক্ষা করছিলেন তারা। এদিন আমিরের দেখা মিলল ক্রিম রঙা সোয়েট শার্ট এবং কালো প্যান্টে, মাথায় ছিল টুপি। অন্যদিকে ট্রাইপ দেওয়া ব্লু টি-শার্ট আর ডেনিমে লেন্সবন্দি হল কিরণ, ছোট্ট আজাদের পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট আর সবুজ রঙা প্যান্ট।

এই ভিডিয়ো দেখে দুটো প্রশ্ন অনুরাগীদের মনে। এক. এয়ারপোর্টের মেঝেতে কেন বসেছিলেন আমির-আজাদ? দুই. আদেও কি দুজনের ডিভোর্স হয়েছে? এমন ডিভোর্সের মানেটা কী!

গত ৩ জুলাই যৌথ বিবৃতিতে দুজনে ১৫ বছরের দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টেনে জানান, ‘একসঙ্গে কাটানো এই ১৫টা বছর সুন্দরে আমরা আজীবনের অভিজ্ঞতা, আনন্দ, হাসি ভাগ করে নিয়েছি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিশ্বাস, সম্মান এবং ভালোবাসা বেড়েছে। এবার আমরা আমাদের জীবনের একটা নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছি- সেখানে আমরা স্বামী,স্ত্রী নই, তবে আমরা বাবা-মা থাকব এবং অবশ্যই একে অপরের পরিবার থাকব’।

এরপর দিনই কিরণকে পাশে নিয়ে ভিডিয়ো বার্তায় আমির জানান, ‘….আমাদের সম্পর্কটা বদলে গেছে, কিন্তু আমরা একই পরিবারের অংশ। সম্পর্কে পরিবর্তন এলেও আমরা একসঙ্গেই আছি’।

আমির খান ও কিরণ রাও-এর প্রথম আলাপ লাগানের সেটে। ২০০৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে বাঁধা পড়েছিলেন তারা। বিয়ের ছয় বছর পর জন্ম হয় এই জুটির একমাত্র সন্তান আজাদ রাও খানের। কিরণের আগে রিনা দত্তের সঙ্গে সংসার করেছেন আমির। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার দুই সন্তান- ইরা খান ও জুনেইদ খান।

ডি-এফবি



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *