জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির রোটা-আবলেশন


জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও আমাদের দেশের হৃদরোগীদের চিকিৎসার শেষ আশ্রয়স্থল। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যাতে কারো প্রাণহানী না ঘটে সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই চিকিৎসার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এই রোটা আবলেশন সংযোজন করা হয়েছে এই হাসপাতালে। এরই মধ্যে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে রিং পরানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) ভোরের কাগজকে এসব তথ্য জানিয়েছেন এ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, আমাদের এ হাসপাতালে সম্প্রতি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আইভাস, রোটা ও এফ.এফ.আর সংযোজিত হয়েছে এবং হাসপাতালে খুব তাড়াতাড়ি কার্ডিয়াক এমআরআই ও ওসিটি মেশিন সংযোজিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ও বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে এই হাসপাতালে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন চিকিৎসা-সেবা সংযোজন অব্যহত আছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার রোটা-আবলেশন প্রযুক্তি সংযোজিত হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম সরকারী হাসপাতালে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ৭৫ বছর বয়সি জটিল রোগীর চিকন ও শক্ত রক্ত নালীতে রিং পরানো হয়।

এই জটিল আবলেশন পদ্ধতিতে রিং পরানোর নেতৃত্ব ছিলেন স্বমানধন্য অধ্যাপক ডা.মীর জামাল উদ্দিন নিজেই।

উল্লেখ্য রক্তনালীতে দীর্ঘদিন যাবত ব্লক থাকার ফলে তাতে ক্যালসিয়াম জমা হয়ে কঠিন হয়ে যায় এবং সাধারণভাবে রিং পরানো যায় না বা অপারেশন ও করা যায় না। রোটা-অবলেশন পদ্ধতির মাধ্যমে রক্তনালীতে ক্যালশিয়াম কেটে রক্তনালীর পরিধি বড় ও রিং পরানোর জন্য উপযোগী করা সম্ভব হয়েছে।

রি-এএ/ ডি-আরআর



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *