বেসরকারি ৭৮ প্রতিষ্ঠানকে র‍্যাপিড এন্টিজেন টেস্টের অনুমোদন


অবশেষে বেসরকারিভাবে কোভিড ১৯ রোগ নির্ণয়ে র‍্যাপিড এন্টিজেন টেস্টের অনুমোদন দিলো সরকার। ৭৮টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এই পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

রবিবার (১৮ জুলাই ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা ফরিদ হোসেন মিয়া স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ সব তথ্য জানানো হয়।

এতে আরও বলা্ হয়, এই পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০০ টাকা।

র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট কিট। ফাইল ছবি

এর আগে গত ৯ জুন বিবিসির এক প্রতিবেদনে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ভাইরলজিস্ট ডা. সাবেরা গুলনাহার বলেন, ‘এই পরীক্ষার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ফল দিতে পারে। ২০ মিনিটের মধ্যে এর ফল পাওয়া যায়। দ্রুত শনাক্ত মানে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যায়।’

তিনি আরও জানান, ‘এর খরচও খুব কম। পিসিআর টেস্টে সময় লাগে কম পক্ষে ছয় ঘণ্টা, খরচ হয় অনেক। কারণ অনেক যন্ত্রপাতি লাগে, বায়োসেফটি আছে এমন ল্যাব লাগে, দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দরকার হয়।’

র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন পাওয়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকা

অন্যদিকে এন্টিজেন টেস্টে তেমন কোন ব্যবস্থা লাগে না। একজন স্বাস্থ্যকর্মীকে অল্প প্রশিক্ষণ দিয়ে, আঙুলের আকৃতির একটি কিট ও দরকারি সল্যুশন সহ একটি টেবিলে থাকলেই হয়।

গাড়ির ভেতরেও যেকোনো যায়গায় বসেই করা যায়। কোন ল্যাব দরকার হয় না। এর জন্য দরকারি কিট বহনযোগ্য।

র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন পাওয়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকার বাকি অংশ

চাইলে কোন ব্যক্তি নিজেও এই পরীক্ষা করতে পারেন। যুক্তরাজ্য সহ কিছু দেশে ইতিমধ্যেই ঘরে বেশি নিজেই পরীক্ষা করার বিষয়ে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বিবিসির ওই প্রতিবেদনে এক চিকিৎসকের বরাতে আরও বলা হয়, সঠিক ফল দেবার ক্ষেত্রে এই পরীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা ৮০ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কয়েকটি কিটের অনুমোদন করার পর এর ব্যাবহার বিশ্বব্যাপী বেড়েছে।

রি-এসডি/ ডি-আরআর



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *