সাকিবের অপেক্ষা বাড়ল ১৬ জুলাই পর্যন্ত


শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে শুক্রবার একটি উইকেট নিতে পারলেই ডাবল কীর্তি গড়ার হাতছানি ছিল বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। ওয়ানডেতে মাশরাফিকে টপকে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটের পাশাপাশি এক ভেন্যুতে ওয়াসিমের সমানসংখ্যক উইকেট হতো তার।

কিন্তু ১০ ওভার বল করে কোনো উইকেটই পাননি সাকিব। ফলে মাশরাফিকে ছাড়িয়ে যেতে ১৬ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা বাড়ল তার। কেননা ১৬ জুলাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ওয়ানডের প্রথম ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। ওই ম্যাচে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ককে টপকে যাওয়ার সুযোগ পাবেন সাকিব। তিনি গতকাল এক উইকেট নিতে পারলে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ১২২ উইকেট হতো তার। এক ভেন্যুতে সবচেয়ে বেশি উইকেটের হিসাবে বসতেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরামের পাশে। ওয়াসিম শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৭৭ ম্যাচে নিয়েছেন ১২২ উইকেট।

টস জিতে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাকিব শেষ ম্যাচে ১০ ওভার বল করেছেন। ৪৮ রান দিলেও কোনো উইকেট পাননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তাতে মাশরাফিকে ছাড়িয়ে যেতে পারেননি তিনি। মাশরাফির সমান ২৬৯ উইকেটই রইল তার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই সিরিজে সাকিব প্রথম ম্যাচে ১ উইকেট নেয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে নেন ২ উইকেট। তাতে ২১১ ওয়ানডেতে সাকিবের শিকার দাঁড়ায় ২৬৯ উইকেটে। মাশরাফিকে ছাড়িয়ে যেতে তার দরকার আর এক উইকেট। সবচেয়ে সফল অধিনায়ক ম্যাশ ২২০ ম্যাচে নিয়েছেন ২৬৯ উইকেট। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ ২০৭ উইকেটের মালিক জাতীয় দলের সাবেক স্পিনার ও বর্তমান নির্বাচক আবদুর রাজ্জাক। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে আর কারোরই ২০০ উইকেট নেই। রুবেল হোসেন ১২৯ উইকেট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।

বাংলাদেশের পরবর্তী সফর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। সেখানে মাশরাফিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করতে পারেন সাকিব আল হাসান। জুন-জুলাইয়ে রোডেশীয়দের বিপক্ষে ওই সিরিজে একটি টেস্ট, তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে সাকিব আল হাসানরা। অক্টোবরে টাইগারদের ইংল্যান্ড মিশন। ওই সময় বাংলাদেশে এসে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ইয়ন মরগান বাহিনী। লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা এরপর ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে। গুরুত্বপূর্ণ এই টুর্নামেন্ট শেষে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্ট ও তিন টি-টোয়েন্টির এক সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।

সাকিব এক উইকেট নিতে পারলে ওয়াসিমের পাশে বসারও সুযোগ ছিল তার সামনে। তাহলে মিরপুরে সাকিবের ৮৫ ম্যাচে ১২২ উইকেট হতো। এক ভেন্যুতে বেশি ওয়াকার ইউনুস ৬১ ম্যাচ থেকে ১১৪ উইকেট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন। এ পাকিস্তানি বোলার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এ কীর্তি গড়েছিলেন। মাশরাফি মিরপুরে ৬৪ ম্যাচ থেকে ৯৪ উইকেট তুলে নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার মুত্তিয়া মুরালিধরন। শারজাহ ৪৫ ম্যাচ থেকে তিনি তুলে নিয়েছেন ৮২ উইকেট।

এমআই



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *