তিন দেশ জুড়ে চলবে শাহরুখের ‘পাঠান’ ছবির শ্যুটিং


শাহরুখ-জন অভিনীত ‘পাঠান’ ছবির বাকি থাকা অংশের শ্যুটিং নাকি সারা হবে ইউরোপের তিন-তিনটি দেশে। আবার সংবাদমাধ্যমে কোনও প্রতিবেদনে উঠে আসছে রাশিয়ার নাম আবার কোনওটিতে ফিনল্যান্ডের নাম।

বর্তমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের দাপটে কার্যত নাকানি চোবানি খাচ্ছে গোটা দেশ। করোনার প্রকোপের ফলে বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউন জারি হওয়ার পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে ছবির শ্যুটিং থেকে শুরু করে দেশের প্রেক্ষাগৃহ। সিনেমা হলের দরজা খোলার পাশাপাশি সেখানে ঢুকে বসার জন্য দর্শকদের আস্থা অর্জন করতে এখনও সময় লাগবে বেশ খানিকটা। এমন পরিস্থিতিতেও দমে যায়নি বলিউড। বড় বাজেটের একাধিক ছবি তৈরি করতে পিছপা হচ্ছেন না প্রযোজকেরা। তাদের আসা, এই কঠিন সময় কেটে গেলে আবার একবার জমিয়ে শুরু হবে এই ব্যবসা। বক্স অফিসে বাড়তি আয় দিয়ে ‘কামব্যাক’ করবে ছবির ব্যবসা।

জানিয়ে রাখা ভালো, বর্তমানে যেসব ছবি দেখার জন্য অধীর আগ্রহে দর্শকের দল অপেক্ষা করছে, সেই তালিকায় একেবারে উপরের দিকে রয়েছেন ‘পাঠান’। শাহরুখ খানের এই ছবির শ্যুটিং গত বছরেই জোরদারভাবে শুরু হয়েছিল যখন সারা দেশ জুড়ে ধীরে ধীরে কমছিল করোনার প্রকোপ। ছবিতে শাহরুখ ছাড়াও রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন এবং জন অ্যাব্রাহাম।

‘পাঠান’-এর পরিচালক থেকে প্রযোজক কেউই কোনও চেষ্টার কসুর করছেন না এই ছবিকে বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় করে রাখতে। ছবির বাজেট থেকে শুরু করে অভিনেতাদের তালিকা দেখলেই সেই ধারণা আরও স্পষ্ট হয়। বর্তমানে ছবির শ্যুটিং বন্ধ থাকলেও জানা গেছে পরবর্তী শুটিং শিডিউল বিদেশে শুরু হবে। কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে যে রাশিয়াতে বেশ কিছু ছবির গুরুত্বপূর্ণ সিকোয়েন্সের শ্যুটিং সারা হবে। পাশাপাশি এও শোনা যাচ্ছে ‘পাঠান’-এর সেই বিদেশী লোকেশনের শুটগুলো নাকি ফিনল্যান্ডে হবে।

জানা গেছে ইউরোপের মোট তিনটে দেশে নাকি সারা হবে ‘পাঠান’-এর বাকি থাকা অংশের শ্যুটিং। তবে কোন কোন দেশে আর ঠিক কোন সময়ে এই শ্যূটিংপর্ব সারা হবে তা এখনই বলাটা একটু মুশকিল। কারণ করোনা পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়মের উপর নির্ভর করে ছবির শ্যুটিং ইউনিটকে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে।তাছাড়া ছবির প্রযোজক আদিত্য চোপড়া চাইছেন শ্যুটিং ইউনিটের সকলের যেন করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া হয়ে যায়। কিন্তু যেহেতু প্রক্রিয়াটা সময়সাপেক্ষ তাই চিন্তার ভাঁজ কপালে বেড়েছে প্রযোজকের। ইতিমধ্যেই নির্মাতা সংস্থার তরফে নাকি খোঁজখবর করা শুরু হয়ে ইউরোপীয় ক্রু-ইউনিটের যাঁদের ইতিমধ্যে টিকা নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাহলে শুটিংয়ের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। সেই সূত্র আরও জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই পাঠানের ৬০ শতাংশ শ্যুটিং শেষ হয়েছে। বাকি রয়েছে মাত্র ৪০শতাংশ। তবে সেই বাকি থাকা অংশই ছবির জন্য সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এফবি



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *